Advertisement
হৃদয় হোসাইন,বেড়া(পাবনা) :
পাবনার বেড়া উপজেলায় ব্যাঙের ছাতার মত গজে উঠেছে বেকারী পণ্যের কারখানা। এসব বেকারী পণ্যের মোড়কে উৎপাদন তারিখ মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ এবং খুচরা মূল্য কোনো কিছু উল্লেখ নেই। থাকছে শুধু কোম্পানির নাম লোগো। এসকল খাবারের গুনগত মান নিয়ে রয়েছে নানান প্রশ্ন। কয়েকটি বেকারিতে তৈরি হচ্ছে মানহীন অস্বাস্থ্যকর পণ্য। বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ছাড়াই এলাকায় এসব বেকারি অস্বাস্থ্যকর পণ্য তৈরি করে দেদারে বাজারজাত করছে। এসব পণ্য নানা কৌশলে বিভিন্ন ব্র্যান্ডে নামে মোড়ক তৈরি ও প্যাকেট করে বিক্রয় করা হচ্ছে। উপজেলার সর্বত্রই বাজারে যেসব বেকারি পণ্য পাওয়া যাচ্ছে অধিকাংশই স্থানীয়ভাবে তৈরি হচ্ছে। স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে খোঁজ নিয়ে দেখা যায় যত্রতত্র গড়ে ওঠা বেকারিগুলোতে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে তৈরি হচ্ছে খাদ্যসামগ্রী। উপজেলার বেড়া বাজারসহ আশপাশে জনসাধারণের বিস্কুট ব্রেডসহ নানা প্রকারের বেকারি পণ্যের চাহিদা পূরণের জন্য বেশ কয়েকটি বেকারি গড়ে উঠেছে। উপজেলায় এমন একাধিক ছোট-বড় বেকারি মানহীন পণ্য উদপাদন করে বাজারজাত করছে। বড় বড় সুপার স্টোরসহ মুদি ও স্টেশনারি মালের দোকানদাররা দেখতে চকচকা এবং দামে সস্তা মানহীন এসব পণ্য দেদারে বিক্রি করছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন,এই ধরনের খাবার স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এসকল খাবার খেয়ে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে শিশুসহ সব বয়সী মানুষ। এক প্রশ্নের জবাবে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ ফাতেমা তুয জান্নাত বলেন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরিও মেয়াদ উত্তীর্ণ খাবার খাওয়ার ফলে ডায়রিয়া আমাশয় সহ বিভিন্ন জটিল রোগের আশঙ্কা রয়েছে । এ বিষয় বেকারী মালিক জানান, কারিগরদের কাজ মাঝে মধ্যে লেভেল লাগানো হয় না। লোকাল কোনো কারখানায় লেভেল দেয় না বলে তেমন ভাবে অভ্যাস নেই। সামনে চেষ্টা করা হবে মোড়কে উৎপাদন মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ ও খুচরা মূল্য উল্লেখ করার। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,পাবনা জেলার সহকারী পরিচালক মোঃ মাহমুদ হাসান রনি বলেন, উপজেলা টা আমার এখান থেকে দূরে হয়। আমার থেকে বেশি ব্যবস্থা নিতে পারবেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার। উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে জানান উনি ব্যবস্থা নিবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: মোরশেদুল ইসলাম বলেন,উৎপাদনও উত্তীর্ণের তারিখ এটা থাকা জরুরী। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।