Advertisement
নুরুল করিম, স্টাফ রিপোর্টার মহেশখালী:
কক্সবাজার জেলার মহেশখালী থানায় সেকেন্ড অফিসার হিসেবে যোগদানের পর থেকে চুরি হওয়া বা হারিয়ে ফেলা মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রশংসায় ভাসছেন আসাদুর রহমান।
মঙ্গলবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ সুকান্ত চক্রবর্তী তার অফিস কক্ষে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোনটি মহেশখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবুল বশর পারভেজ এর হাতে তুলে দেন। এসময় দীর্ঘ দুই মাস পর শখের স্মার্ট ফোনটি হাতে পেয়ে মহেশখালী থানা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং এখানকার পুলিশ সদস্যদের আন্তরিকতার প্রশংসা করেন।
গত ২৫ শে নভেম্বর ২০২৩ বাসা থেকে চুরি হওয়া ফোনটি সাধারণ জিডি মূলে দীর্ঘ তদন্ত ও অনুসন্ধানের পর কক্সবাজার শহরের বাহারছড়া এলাকা থেকে উদ্ধার সেকেন্ড অফিসার।
ইতিপূর্বে কর্মরত অবস্থায় গত দুই বছরে হারানো ও চুরি-ছিনতাই হওয়া দুই শতাধিক মোবাইল ফোন উদ্ধার করে মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন। চাকরি জীবনের শেষ পর্যন্ত নিজের জায়গা থেকে মানুষের জন্য নিজের সবটুকু দিয়ে কাজ করার ইচ্ছা পুলিশের এই অফিসার মহেশখালী থানায় যোগদান করেন।
সেকেন্ড অফিসার আসাদুর রহমান বলেন, আমি পুলিশ বাহিনীকে খুব ভালোবাসি ও শ্রদ্ধা করি। বাহিনীতে যোগদানের পর থেকেই দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে কাজ করি। সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মহেশখালী সার্কেল রাম প্রসাদ ভক্ত স্যারের দিকনির্দেশনা ও ওসি সুকান্ত চক্রবর্তী স্যারের সার্বিক তত্বাবধানে এই মোবাইল ফোনগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। মানবিক দিক বিবেচনায় মানুষের জন্য কাজ করতে খুব ভালো লাগে, চাকরির শেষ দিন পর্যন্ত মানুষের জন্য কাজ করে যাবো।
মহেশখালী থানার ওসি সুকান্ত চক্রবর্তী বলেন, পুলিশ মানুষের সেবা দেয়ার জন্যই সার্বক্ষণিক কাজ করে, সেবারই অংশ হিসেবে আসাদুর রহমান ভালো কাজ করছেন। আমি তার উত্তোরোত্তর সফলতা কামনা করি।
সেকেন্ড অফিসার আসাদুর রহমান সাজাপ্রাপ্ত সর্বোচ্চ আসামী গ্রেপ্তার করে তার কাজের সফলতা স্বরূপ কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপারের কাছ থেকে পুরস্কার প্রাপ্তও হয়েছেন। তিনি চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া থানার হাইদ গাও গ্রামের বশির আহমদ’র ছেলে। ব্যক্তি জীবনে তিনি দুই ছেলে সন্তানের জনক।