Advertisement
আলমগীর হুসাইন অর্থ:
২০১৯ সালে ১ হাজার ৭ শত ১৪ কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত হয় ঈশ্বরদী - ঢালারচর রেল সড়ক। নির্মাণের পর থেকে আমিনপুর, সাঁথিয়া, বেড়া ও সুজানগর উপজেলার জনসাধারণের চলাচলে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে এই রেলপথ যদিও দিনে মাত্র একবার করে যাতায়াত করে ট্রেন।
৭৯ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রেলপথে রয়েছে ১০ টি ষ্টেশন, ৯১ টি সেতু ও ৬০ টি রেল ক্রসিং যার বেশির ভাগই অরক্ষিত।
পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও রেলওয়ে প্রশাসনের তদারকির অভাবে প্রতিনিয়ত লোপাট হচ্ছে রেল সেতুর স্লিপার, ক্লিপ, হুক, নাট ও বল্টু।
কাশিনাথপুর - বাধেরহাট রেল স্টেশনের মধ্যবর্তী রানীগ্রাম রেল সেতু ও বাধেরহাট - ঢালারচর স্টেশনের মধ্যবর্তী পুরান মাসুমদিয়া রেল সেতু পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, খুলে নেওয়া হয়েছে রেলের স্লিপার সহ ক্লিপ, হুক, নাট ও বল্টু যেকারণে দুর্ঘটনা ঝুঁকিতে রয়েছে এই রেলপথ। স্থানীয় দের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রায় প্রতিদিন রাতেই রেল সেতুর উপর বসে মাদকের আসর, যেকারণে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা বখাটেদের আড্ডা স্থলে পরিণত হয়েছে এই রেল সেতু। নেশাখোর'রা মাদকের টাকার যোগান দিতে রেলের গুরুত্বপূর্ণ এসকল সরঞ্জামাদি চুরি করে বিক্রয় করছে বলে স্থানীয় একাধিক সুত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে সরকারি সম্পদ রক্ষায় ও রেল চলাচল ঝুঁকি মুক্ত করতে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন অত্র এলাকার সচেতন মহল।
ঢালারচর রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার ফয়সাল আহমেদ বলেন, উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে অতিদ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।