Advertisement
নিজস্ব প্রতিবেদক:
পাবনা জেলার আমিনপুর থানাধীন খাশ আমিনপুর গ্রামে অপরিকল্পিত ভাবে গড়ে উঠেছে চারটি সুতা ডায়িং এন্ড প্রসেস মিল। এসব প্রসেস মিলে ব্যবহৃত কেমিক্যাল মিশ্রিত তরল বর্জ্য পাইপের মাধ্যমে ফেলা হয় আত্রাই নদীতে। কেমিক্যাল মিশ্রিত বর্জ্যের দুর্গন্ধে হুমকির মুখে পড়ছে কয়েকটি গ্রামের পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য। বর্ষার মৌসুমে নদীতে আসা পানির সাথে এসব বর্জ্য মিশ্রণের ফলে যেমন মানুষের মধ্যে ছড়াচ্ছে চুলকানি, ডায়রিয়া সহ নানাবিধ রোগ তেমনি মারা যাচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকার মাছ।
সম্প্রতি আত্রাই নদীতে প্রবেশ করা বর্ষার পানিতে প্রসেস মিলের তরল বর্জ্য মেশায় পানির রং তীব্র কালো বর্ণ ধারন করার পাশাপাশি তীব্র দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়। বর্জ্য মিশ্রিত এই পানি নদীর মধ্যে চাষকৃত মাছের প্রজেক্টে প্রবেশ করতেই সমস্ত মাছ মারা যায়। এতে মৎস ব্যবসায়ী ফিরোজ মিয়ার প্রায় ২৫ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানান তিনি। মৎস্য ব্যবসায়ী বলেন, গত কয়েকদিন পূর্বে আমি কাবুল মন্ডল সহ কয়েকজনের কাছে আকুতি করে বলেছিলাম প্রসেস মিলের বর্জ্য নদীতে না দিতে তারা আমার কথা না শুনে পরিকল্পিত ভাবে আমার মাছ হত্যা করেছে।আমি এর দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি দাবি জানাই।
উল্লেখ্য, অপরিকল্পিত ভাবে সুতা ডায়িং এন্ড প্রসেস মিল নির্মাণ করায় মন্ডল ডায়িং এন্ড প্রসেস মিলের সত্বাধীকারি কাবুল মন্ডল কে গতবছর ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করে তৎকালীন বেড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সবুর আলী।