Advertisement
পঞ্চগড় প্রতিনিধি:
পঞ্চগড় বোদা উপজেলার ৪ নং কাজলদিঘী কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়নে অবৈধভাবে পারিবারিক চলাচল রাস্তা নির্মাণে বাধা প্রদান করলে, স্থানীয় মামলাবাজ মোঃ নজরুল ইসলাম গং (৪০), এর বাড়ির লোকজন ও ভাড়াটিয়া গুন্ডা দ্বারা, মোঃ আব্দুস সামাদ গং (৫০), এর উপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং বেধড়ক মারপিট করে।
বর্তমানে আব্দুস সামাদ এর বাড়ির লোকজন আহত অবস্থায় পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে।
অভিযোগে জানা যায় একই এলাকার বাসিন্দা মোঃ নজরুল ইসলাম গং পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে জোরপূর্বক এলাকার মানুষকে না জানিয়েই গায়ের জোরে এই পারিবারিক রাস্তাটি নির্মাণ করতে আসে।
এতে করে এলাকাবাসী বাধা দিলে মোঃ নজরুল ইসলাম গং এর লোকজন ও ভাড়াটিয়া গুন্ডা দিয়ে মোঃ আব্দুস সামাদ, ও এলাকাবাসীর উপর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। তাদের চিল্লাচিল্লি শুনে এলাকার লোকজন ছুটে আসলে তাদেরকেও এলো পাথাড়ি কুপিয়ে আহত করে এবং নজরুল ইসলাম তার নিজ বাড়ির থেকে মূল্যবান জিনিসপত্র সরিয়ে রেখে বাড়ির কিছু আসবাবপত্র ও দুইটি মহেন্দ্র আংশিক ভাঙচুর করে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর জন্য ভিন্ন পরিকল্পনা করে।
ভুক্তভোগীরা বলছেন নজরুল ইসলাম গং এর সাথে জড়িত বর্তমান ইউপি সদস্য আব্দুর রশিদ এবং তারই পরামর্শে অবৈধভাবে কাউকে কিছু না বলে রাস্তার কাজ শুরু করে।
এছাড়াও প্রত্যক্ষ দশীরা জানান নজরুল ইসলাম গং পরিবার এরা আগে থেকেই মানুষকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির শিকার করে আসছে।
ইউপি সদস্য আব্দুর রশিদ, সব সময় অর্থের লোভে তাদেরকে উৎসাহিত করে লেলিয়ে দিত। নজরুল ইসলাম, গং এর সন্ত্রাসীদের অস্ত্রের আঘাতে ক্ষতবিক্ষত শরীর নিয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে মৃত্যুর যন্ত্রণায় ছটফটাচ্ছে আব্দুস সামাদ গং এর লোকজন ও এলাকাবাসীরা।
বর্তমান যারা আহত অবস্থায় রয়েছেন তারা হলেন, ফরহাদ, শাকিল, তহুরা, আব্দুস সামাদ, আব্দুল মালেক, তবে আশঙ্কাজনক ভাবে রংপুর মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন খোরশেদ ও প্রতিবেশী শাপলা।
এ বিষয়ে আব্দুস সামাদ বাদী হয়ে অপরাধীদের শাস্তির দাবিতে কোটে একটি মামলা করেন যার মামলা নং ১৩।
ভুক্তভোগীদের দাবি এসব মিথ্যা মামলাবাজ নজরুল ইসলাম, ও ইউপি সদস্য আব্দুর রশিদ, আর কোনদিন যেন এলাকায় কোন বেআইনি কাজ করতে না পারে সেজন্য কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানান ও অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি ও জানান।
এ বিষয়ে ৪ নং কাজলদিঘী কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়নের নবনির্বাচিত প্যানেল চেয়ারম্যান জবা রানী জানান এ বিষয়ে আমি তেমন কিছু জানি না, আমাকে কেউ অভিযোগ করেনি , তবে আমি লোকের মুখে বিষয়টি শুনেছি।
বিষয়টি সততা সম্পর্কে বোদা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আজিম উদ্দিন বলেন কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়নের ঠাকুরপাড়া গ্রামে দুপক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে এবং থানায় অভিযোগও হয়েছিল। এ বিষয়ে আমরা অবগত আছি।